৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী

গোয়েন্দা রিপোর্টে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা পূরণের জন্য ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করেছে এবং আশা করছে এ প্রক্রিয়ায় ভারত তাঁদের পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামোর অধীনে ২০৪১ সালের মধ্যে প্রতিবেশি দেশগুলো থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি। আমি আশা করি, এই লক্ষ্য অর্জনে ভারত আমাদের পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একযোগে বিদ্যুৎ ও রেল য্গোযোগের তিনটি প্রকল্পের উদ্বোধনকালে প্রদত্ত ভাষণে একথা বলেন।

প্রকল্পগুলো হচ্ছে- কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় নবনির্মিত ৫০০ মেগাওয়াট এইচভিডিসি (২য় ব্লক) প্রকল্পের নির্মাণ কাজ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের ‘কুলাউড়া-শাহবাজপুর সেকশন পুনর্বাসন’ ও ‘আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল গেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ)।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নয়াদিল্লীস্থ তাঁর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন।

ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এবং বাংলাতেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী কোলকাতা থেকে এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আগরতলা থেকে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

ই-সুইচ টিপে দুই প্রধানমন্ত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী একযোগে প্রকল্প তিনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খরিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এবং ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা এ সময় অন্যান্যের মধ্যে গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply